বুধবার, ১৭ Jun ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :

‘পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাসী গ্রুপ আছে,ধাওয়া দিলে সীমান্তের ওপারে চলে যায়’

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাসী গ্রুপ আছে। আমাদের এলাকা দিয়ে ধাওয়া দিলে তারা দুর্গম এলাকা পার হয়ে ওই দিকে (ভারতে) চলে যায়। সেটাই যেন না হয় সেজন্য আমরা বিওপির সংখ্যা বাড়াচ্ছি। আমাদের দুই দেশের মধ্যে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তারা যতটুকু পারছেন সহযোগিতা করছেন, আমরাও সেটাই করছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলে থাকেন, আমাদের দেশে এক ইঞ্চি জমিও আমরা কোনও বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীকে ব্যবহার করতে দেবো না এবং আমরা সেটাই করছি। তারাও (বিএসএফ) আমাদের এভাবে সহযোগিতা করছেন।’

তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের যে সীমান্ত রয়েছে, সেখানেও এমন কিছু এলাকা সম্পর্কে আমাদের কাছে কিছু গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। ওইসব এলাকা থেকে সীমান্ত পার হয়ে কিছু দুষ্কৃতকারী চক্র অপরাধ করে চলে যায়। আবার ওইখানে অপরাধ করে আমাদের এখানে এসে শেল্টার নেয়।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এসব বন্ধ করার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিজিবিকে ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলেছি। এছাড়া আমরা বর্ডার রোড নির্মাণে জোর দিয়েছি। বর্ডার রোডে হয়ে গেলে এসব সমস্যা আর হবে না।’

ভারতের মিজোরাম রাজ্যের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আস্তানা আছে বলে ভারতের কাছে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ সাফিনুল ইসলাম। ভারতে আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই আস্তানাগুলো ধ্বংস করার জন্যও ভারতের কাছে অনুরোধ জানান বিজিবি মহাপরিচালক। আস্তানাগুলো ধ্বংসের অনুরোধে বিএসএফ কী জানিয়েছে- সাংবাদিকদের করা এমন প্রশ্নে জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) এসব কথা বলেন।

বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে পিলখানায় বিজিবি সদর দফতরের মাল্টিপারপাস শেডে বাহিনীটির ২০২০ সালের বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পদক প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। চারটি ক্যাটাগরিতে মোট ৫৯ জনকে পদক দেওয়া হয়। এসময় বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তারা, বিজিবির সব পর্যায়ের কর্মকর্তা, সৈনিক ও বেসামরিক কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
পিলখানায় বিজিবির অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের চমৎকার একটি সম্পর্ক রয়েছে। আমরা মনে করি তাদের যেভাবে আমরা সহযোগিতা করি তারাও আমাদের সেভাবে সহযোগিতা করে। বিশেষ করে চোরাচালান, সন্ত্রাসী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোকে আমাদের দেশে যেরকম স্থান দেই না, আশা করি প্রতিবেশী দেশগুলোও এসব সংগঠনকে তাদের দেশে স্থান দেবে না এবং দিচ্ছেও না। সীমান্তবর্তী এলাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এক সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে এবং সামনেও কাজ করবে।’

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ সাফিনুল ইসলাম বলেন, ‘বিএসএফ প্রতিবার আমাদের কিছু এরকম লোকেশন দেয়। আমরা সেখানে অপারেশন পরিচালনা করি। কিন্তু আদতে সেখানে কিছুই পাই না। সেটাও আমরা বিএসএফকে জানিয়েছি, বলেছি যে তোমরা আমাদের যে লিস্টগুলো দিয়েছো সেগুলোতে অভিযান পরিচালনা করেছি, সেখানে আমরা এরকম কোনও ক্যাম্প খুঁজে পাইনি।’ সূত্র:রাংলাট্রিবিউন।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION